সর্দি-কাশি-জ্বর-দুর্বলতা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়। - HealthTips

সর্দি-কাশি-জ্বর-দুর্বলতা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়।

ইমিউন সিস্টেম: আমরা মনে করি সর্দি-জ্বরে ভোগা বড় সমস্যা নয়। তবে এ বছর ঋতু পরিবর্তনে যে জ্বর হচ্ছে, তার জন্য আগে থেকেই ব্যবস্থা নিতে বলছেন চিকিৎসকরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সময়মতো যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে হাসপাতালে ভর্তিরও প্রয়োজন হতে পারে।

how to get rid of cold-cough-fever-weakness


শুরু হয়েছে উৎসবের মরশুম। শরতের মেঘ আকাশে ভাসছে, বাতাসে হিমশিম লাগছে। দিনগুলো ছোট হয়ে আসছে। ক্রমশ কমছে তাপমাত্রা। ক্রমবর্ধমান ঠান্ডা, ফ্লু (কোল্ড অ্যান্ড ফ্লু) এবং অন্যান্য ঋতু পরিবর্তন (সিজন চেঞ্জ) রোগ। এ ধরনের সমস্যা থেকে দূরে থাকতে হলে সঠিক মাত্রায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। সঠিক ব্যবস্থা নিলে আপনি মৌসুমী অসুস্থতা থেকে রক্ষা পাবেন। কারণ এ বছর সাধারণ সর্দি ও ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই। সর্দি এবং ফ্লু খুব সাধারণ সমস্যা বলে মনে হয়, তবে রোগীরা একবার আক্রান্ত হলে প্রায়ই জ্বর, সর্দি এবং কাশিতে ভোগেন। সেই সঙ্গে রয়েছে চরম দুর্বলতা। ফলে তিন দিনে জ্বর কমে গেলেও এর প্রভাব বেশ কয়েকদিন থাকে। কাজে যোগ দিতে দেরি হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয় দৈনন্দিন জীবনযাত্রাও।



কথায় আছে, 'প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই ভালো'। অন্য কথায়, "অসুস্থ হওয়ার আগে প্রতিরোধ করা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ"। তাই শুরু থেকেই ব্যবস্থা না নিলে হাসপাতালে ভর্তির মতো ঘটনা ঘটতে পারে। বিশেষ করে বয়স্ক এবং শিশুরা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। প্রশ্ন হল কি করবেন?

সর্দি-কাশি-জ্বর-দুর্বলতা থেকে মুক্তি পাওয়ার সেরা ৫টি টিপস।


1. অসুস্থদের থেকে দূরত্ব: পুজোর মরসুম। তাই দল বেঁধে ঘুরে বেড়ানোর রেওয়াজ। তবে এ বছর করোনার প্রাদুর্ভাব এখনো শেষ হয়নি। তাই বাইরে গেলেও মাস্ক ব্যবহার করতে ভুলবেন না। আবার যেকোনো ইনফ্লুয়েঞ্জা এড়াতে মাস্কের ভূমিকা অপরিসীম। এছাড়াও, সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত কারও থেকে দূরত্ব বজায় রাখুন। কারণ এমন ব্যক্তির হাঁচি-কাশির সঙ্গে নির্গত ফোঁটা থেকে জীবাণু সুস্থ ব্যক্তির শরীরে প্রবেশ করতে পারে।

2. হাত ধোয়া: ঘন ঘন হাত ধোয়ার অভ্যাস বজায় রাখুন। কারণ সেখান থেকেও নোংরা হাত শরীরে প্রবেশ করতে পারে। ফলস্বরূপ, আপনার হাত সঠিকভাবে ধোয়া আপনার হাতের জীবাণু ধ্বংস করবে। জীবাণু থেকে দূরে থাকুন। আপনার যদি সাবান এবং জল না থাকে তবে আপনি হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে পারেন। খাওয়ার আগে সঠিকভাবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন। হ্যান্ড স্যানিটাইজার লাগান এবং দেড় মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর সেই হাত দিয়ে খাবেন।


3. সুষম খাদ্য: শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সুষম খাদ্য গ্রহণ করা জরুরি। কারণ খাবারে থাকা ভিটামিন ও মিনারেল আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে। তাই আপনার নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখুন মাছ, মুরগি, ডিম, সবজি, ফল। মাছ, মাংস, ডিমের প্রোটিন এবং শাকসবজি ও ফলের ভিটামিন আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।



4. স্বাস্থ্যবিধি: আশেপাশের এলাকা পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করুন। কোথাও পানি জমতে দেবেন না। কারণ মশা স্থির পানিতে ডিম পাড়ে। সেখান থেকে মশাবাহিত রোগের আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়াও ঘর পরিষ্কার রাখুন। সেক্ষেত্রে জীবাণুর বৃদ্ধি রোধ হবে। রোগ ছড়াতে পারে না।


5. শীতের জন্য প্রস্তুত: পুজোর মরসুমে, অনেক লোক রাতেও ঘোরাফেরা করে। তবে রাতে তাপমাত্রা দ্রুত কমে যায়। তাই রাতে বাইরে বের হলে গরম কাপড় সঙ্গে রাখুন। এছাড়াও, রাতে চাদর দিয়ে ঘুমান। হঠাৎ ঠান্ডা লাগার আশঙ্কা কমে যাবে।

Related Things:
Cold and fever symptoms of corona,
How to feel better when sick fast,
Antibiotics for cold and fever,
How to get rid of a cold in 5 minutes,
How to get rid of the flu overnight,
Medicine for cold fever and body pain,
How long does a cold last,
How to get rid of a cold fast,

Post a Comment

0 Comments